আফগানিস্তানের প্রদেশের জাজাইয়ারুব জেলায়,একজন মিউজিশিয়ান সামনেই তার বাদ্যযন্ত্র পুড়িয়ে দিয়েছে তালেবানরা। আফগানিস্তানের একজন সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল হক ওমেরির পোস্ট করা, সেখানে দেখাযায় ওই মিউজিশিয়ান তার বাদ্যযন্ত্র আগুন দেওয়া কাঁদতে দেখা গেছে।
পোস্ট আরও দেখা যায় যে, একজন বন্দুকধারী ব্যক্তি মিউজিশিয়ানকে কাঁদতে দেখে হাসছেন, অন্য একজন তার দুঃখজনক অবস্থার ভিডিও তৈরি করেন।
এর আগে তালেবানরা যানবাহনে মিউজিক নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া বিয়েতে লাইভ মিউজিক নিষিদ্ধ করেছিল এবং পুরুষ ও নারীদেরকে ভিন্ন ভিন্ন ঘরে বিয়ে অনুষ্ঠান করার নির্দেশ দিয়েছিল।
সম্প্রতি আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে পোশাকের দোকানে ম্যানেকুইনের শিরোশ্ছেদের নির্দেশও দেয় তালেবান।
আফগানিস্তানের টিভি চ্যানেলগুলোকে নাটক ও সোপ যাত্রার নারীদের দেখানো বন্ধ করে তালেবান। পাপ ও পূন্য মন্ত্রণালয় একটি জারি করেছে।
তালেবান শাসনের অধীনে আফগানিস্তানের নারীরা সবচেয়ে বেশি অনিঃশেষ ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে পারে।
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জবিহউল্লাহ মুজাহিদ হুঁশিয়ারি বলেছেন, কেউ তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় তাকে ধ্বংস করে ফেলা হবে। দেশটির ফারিয়াব প্রদেশে তালেবানের একজন উজবেক কমান্ডারকে আটকের জের ধরে তালেবানের দুই গুরুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর হুঁশিয়ারি দিলেন মুজাহিদ।
তালেবানের বলেন, যারা শ্ত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকারের পতন ঘটানোর চেষ্টা করবে তাদেরকে ধ্বংস করে ফেলা হবে।
মুজাহিদ বলেন, ফারিয়াব প্রদেশের তালেবান কমান্ডার মোল্লা মাখদুম মোহাম্মাদ আলম রব্বানিকে শিশু অপহরণের দায়ে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।এদিকে শনিবার (১৫ জানুয়ারি) মাখদুমকে আটকের পর তালেবানের উজবেক সদস্যরা এর প্রতিবাদ জানান।
এ ছাড়া অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে ,সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাওয়ায় যাচাই-বাছাই করে প্রায় ৩ হাজার তালেবান সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বলে এএফপিকে জানান আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্যানেলপ্রধান লতিফুল্লাহ হাকিমি। তিনি বলেন, তাঁরা ইসলামিক আমিরাতের অপমান করছিল। যাচাই-বাছাই করে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে,যাতে আমরা ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন একটি সেনা ও পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে পারি।
তালেবানরা আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ছিল ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত । এরপর তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। গত বছরের আগস্টে আবার আফগানিস্তান দখলে নেয় তালেবান। তখন থেকেই শাসননীতি নিয়ে সুর বদলেছে তারা। এ বিষয়ে আগের মেয়াদের তুলনায় নমনীয় হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর জের ধরেই সদস্যদের যাচাই-বাছাইয়ে একটি কমিশন গঠন করে তালেবান।
শাসননীতিতে পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া তালেবানের নানা সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাদের অধীনে আফগানিস্তানে নানা অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশি প্রতিকূলতার মুখে পড়েছেন নারীরা। তালেবান কাবুল দখলের পর থাকে নারীদের নানা অধিকার থাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।সরকারি অফিস,হাইস্কুল,কলেজ কোথায় নারীদের ফিরতে দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক
0 Comments