সন্ত্রাস দমন, নিরাপত্তা ও মাদক পাচার রোধে বাংলাদেশ এবং তুরস্ক একসাথে কাজ করতে রাজি হয়েছে।শনিবার রাতে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তুরস্ক সরকার এ নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে।
সেই সঙ্গে সন্ত্রাস দমন এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে দুই দেশ পরস্পরের সঙ্গে নিরাপত্তা তথ্য বিনিময় কবে।
কর্মকর্তারা বলেছেন, এই সমঝোতা চুক্তি আগেই হবার কথা ছিল, কিন্তু মহামারির কারণে সেটা করা হয়নি।
এখন এমওইউ স্বাক্ষরের পর দুই দেশে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করা হবে। তখন কী ধরণের ট্রেনিং বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজন সেটা ঠিক করবে ওই কমিটি, এরপর টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস কী হবে,সেসব ঠিক করা হবে। তারপরই এ নিয়ে বিস্তারিত কাজ শুরু করা হবে।
এছাড়া চোরাচালান,মাদক ঠেকানোর ক্ষেত্রে কিভাবে প্রশিক্ষণ এবং তথ্য বিনিময় করা হবে সেটিও ঠিক করা হবে।
কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে?
কর্মকর্তারা বলেছেন, মূলত প্রশিক্ষণটি হবে সামরিক।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাহিনী যেমন সেনা, নৌ বাহিনী বা বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণের এই তালিকায় রাখা হয়নি।তবে তালিকায় রয়েছে র্যাব, যেটি বাংলাদেশে পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচিত এবং যেটির ছয়জন কর্মকর্তার ওপর সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।
তবে ঠিক কী ধরণের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কর্মকৌশল ঠিক করা হয়নি।
সেটি নির্ধারণের জন্য দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটি কাজ করার পর তা ঠিক করা হবে--আর তার পরেই শুরু হবে সে প্রক্রিয়া।মূলত দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা হবে।
কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০১৬ সালে হোলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে এ ধরণের চুক্তি এবং সমঝোতা চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।
এছাড়া সন্ত্রাস দমন সংক্রান্ত যে কোন তথ্য পরস্পরের সঙ্গে শেয়ার করার পাশাপাশি সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক চোরাচালান ঠেকানোর ক্ষেত্রে ও তথ্য বিনিময় করার কথা দুই দেশের মধ্যে ।আন্তর্জাতিক
0 Comments